ছায়ার অভিশাপ

রাত তখন গভীর। নির্জন পথ ধরে হাঁটছিল রাহুল। তার চারপাশ নিস্তব্ধ, শুধু দূরের কোনো বাঁশির আওয়াজ ভেসে আসছিল। হঠাৎ সে অনুভব করল, কেউ তার পেছনে হাঁটছে। পা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই সেই আওয়াজও মিলিয়ে যায়।


রাহুল থমকে দাঁড়াল। পেছনে তাকাল, কিন্তু কিছুই দেখতে পেল না। হঠাৎ, একটি শীতল বাতাস এসে তার ঘাড়ে লাগল। সে দ্রুত হাঁটতে শুরু করল, কিন্তু তার মনে হলো কেউ তার কানের পাশে ফিসফিস করে কিছু বলছে।


 

 হঠাৎ, একটি কালো ছায়া তার সামনে উদয় হল। সেই ছায়া ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠল, আর রাহুল দেখতে পেল, এক মৃত চোখ তাকে একদৃষ্টিতে চেয়ে দেখছে।


রাহুল আতঙ্কে দৌড় দিল, কিন্তু তার পা যেন ভারী হয়ে গেল। ছায়াটি এগিয়ে এলো, আর সে অনুভব করল, তার শরীর ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ, তার চারপাশে সব অন্ধকার হয়ে গেল।


পরদিন সকালে গ্রামের কয়েকজন রাহুলকে খুঁজতে বের হলো। রাস্তার ধারে তার জুতো পড়ে ছিল, কিন্তু তাকে কোথাও পাওয়া গেল না। কেউ কেউ বলে, রাতে যদি সেই পথ ধরে কেউ হাঁটে, তাহলে এখনো সেখানে রাহুলের কণ্ঠস্বর ভেসে আসে—একটা ভীত-সন্ত্রস্ত ফিসফিসানি, যা বাতাসের সাথে মিশে গিয়ে বলে ওঠে, "বাঁচাও... আমাকে বাঁচাও...!"


কিন্তু কেউ তাকে আর কখনো খুঁজে পায়নি
(আপনি কি নিশ্চিত যে আপনি এই গল্প পড়তে চেয়েছিলেন? আরেকবার ভাবুন, কারণ এই অভিশাপ এখন আপনার দিকেই তাকিয়ে আছে...)

Next Post Previous Post